পিরোজপুর জেলার প্রতিবেদন

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় পিরোজপুর জেলার প্রতিবেদন, পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত ।

পিরোজপুর জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-

পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পিরোজপুরের উত্তরে বরিশাল জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরগুনা জেলা, পূর্বে ঝালকাঠি জেলা ও বরগুনা জেলা, পশ্চিমে বাগেরহাট জেলা ও সুন্দরবন। পশ্চিমে বলেশ্বর নদী পিরোজপুরকে বাগেরহাটের থেকে আলাদা করেছে।

 

পিরোজপুর জেলার প্রতিবেদন
হুলারহাট নদী বন্দর – পিরোজপুর জেলা

 

পিরোজপুর জেলার প্রতিবেদন:-

  • জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২২-২০২৩ সনের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন জানুয়ারি-মার্চ/২৩খ্রি: | বাস্তব অগ্রগতি  –   প্রমানক সমূহ
  • জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২২-২০২৩ সনের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন জুলাই-সেপ্টেম্বর/২২খ্রি: | PDF ডাউনলোড
  • জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২২-২০২৩ খ্রি: সনের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অক্টোবর -ডিসেম্বর/২২ খ্রি: | Pdf ডাউনলোড  – প্রমানক pdf
  • অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন জুলাই-ডিসেম্বর/২২ খ্রি: | অর্ধবার্ষিক Pdf ডাউনলোড

পিরোজপুর জেলার নামকরণ

সুলতানি আমলে মুসলিম শাসক ফিরোজশাহের নামানুসারে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের এ অঞ্চল পরিচিতি পায় ফিরোজপুর নামে। বর্তমান পিরোজপুর নামটি এ ফিরোজপুর নামেরই অপভ্রংশ বলে গবেষকরা মনে করেন। অন্যমতে, মোগল সম্রাট শাহসূজার অকাল প্রয়াত পুত্র ফিরোজশাহের নামে ‘ফিরোজপুর’ এবং পরে অপভ্রংশ হিসেবে ‘পিরোজপুর’ নামকরণ হয়েছে।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

মোগল আমলে জঙ্গল আবাদ করে সুন্দরবন অঞ্চলে ব্যাপক জনবসতি শুরু হলে পিরোজপুর অঞ্চলেও জনবিন্যাস ঘটে। সম্রাট আকবরের আমলে লবণ কর রহিত করা হলে সুন্দরবন অঞ্চলে লবণ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং গড়ে ওঠে মোগলদের রাজস্ব পরগণা নিমকমহল। পূর্বে এ অঞ্চল সরকার খলিফাবাদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে এসে টোডরমলের রাজস্ব তালিকার নিমকমহলটি তার নামে নতুনভাবে পরিচিতি পায় সেলিমাবাদ পরগণা হিসেবে। তৎকালীন বাখরগঞ্জ জেলায় দ্বিতীয় বৃহত্তম পরগণা ছিল সেলিমাবাদ পরগণা। সে সময় ঝালকাঠি, বাউফল, স্বরূপকাঠি, নেছারাবাদ, রাজাপুর, ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর, তৎকালীন যশোর জেলার কচুয়া প্রভৃতি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল সেলিমাবাদ পরগণা। ১৬১১ সাল পর্যন্ত সেলিমাবাদ ছিল চন্দ্রদ্বীপ রাজাদের অধীনে।

১৬১১ সালে চন্দ্রদ্বীপ মোগল অধিকারে গেলে চন্দ্রদ্বীপ ভেঙ্গে কয়েকটি পরগণায় বিভক্ত করা হয়। সেলিমাবাদ ছিল তার মধ্যে একটি। ১৭২২ সালে রাজস্ব জরিপকালে সেলিমাবাদ পরগণা বিভক্ত করে আরও ১০টি ছোট পরগণা, তালুক ও হাওলা সৃষ্টি করা হয়।

 

পিরোজপুর জেলার প্রতিবেদন
কবি আহসান হাবিব এর বাড়ি – পিরোজপুর জেলা

 

আরও পড়ুূনঃ

১ thought on “পিরোজপুর জেলার প্রতিবেদন”

Leave a Comment