আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় পিরোজপুর জেলার বিখ্যাত খাবার, পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত ।
পিরোজপুর জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-
পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পিরোজপুরের উত্তরে বরিশাল জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরগুনা জেলা, পূর্বে ঝালকাঠি জেলা ও বরগুনা জেলা, পশ্চিমে বাগেরহাট জেলা ও সুন্দরবন। পশ্চিমে বলেশ্বর নদী পিরোজপুরকে বাগেরহাটের থেকে আলাদা করেছে।

পিরোজপুর জেলার বিখ্যাত খাবার:-
পিরোজপুরের বিখ্যাত রসগোল্লার মধ্যে হুজুরের রসগোল্লা, দুলাল ঘোষের রসগোল্লা,নিশি কুন্ডুর রসগোল্লা উল্লেখযোগ্য।
রসগোল্লা(Syrap Filled Roll) সাদা রঙের এক প্রকার ছানার মিষ্টি। এটি চিনি বা গুড় দিয়ে তৈরি হয়। সবার কাছেই রসগোল্লা একটি জনপ্রিয় মিষ্টি। ছানা (তার মধ্যে অনেক সময় সুজির পুর দেওয়া হয়) পাকিয়ে গরম রসে ডুবিয়ে এটি প্রস্তুত করা হয়। রসগোল্লা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার বিরোধ বহু দিনের।
২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রসগোল্লার জিআই ট্যাগ লাভ করে। ফলে রসগোল্লার উৎপত্তি যে বাংলায় তা প্রতিষ্ঠা পায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মকর্তারা বলছেন যে তারা শুধু ‘ভৌগোলিক সূচক’ বা ‘ভৌগোলিক ইঙ্গিত’ (জিআই) ট্যাগের জন্য অনুরোধ করেছিলেন, যা স্থানীয় রসগোল্লা ‘বাংলার রসগোল্লা’ (বেঙ্গল রসগোল্লা) নামেও পরিচিত করে এবং বলেছিল যে “উড়িষ্যার সাথে কোন দ্বন্দ্ব নেই। আমাদের রসগোল্লা পরিচয় রক্ষা করার জন্য আমরা যা চাই তা আমাদের রঙিন, জমিন, স্বাদ, রসের সামগ্রী এবং উৎপাদন পদ্ধতির উভয় দিক থেকে ভিন্ন।

রসগোল্লার নামকরণ-
এই সুস্বাদু খাদ্যটি রসগোল্লা বা বাংলার রসগোল্লা নামে বেশি পরিচিত ও বিখ্যাত তবে ওড়িশার অনেকে ক্ষীর থেকে তৈরি শুষ্ক প্রকৃতির মিষ্টিকে ওড়িশার সরগোল্লা বলে থাকে। রসগোল্লা শব্দটি রস (“মিষ্টি তরল”) এবং গোল্লা (“বল”) শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়।[৫] রসগোল্লা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন উচ্চারনে উচ্চারিত হয়: রাশগুল্লা (সিলেট), রাশগোল্লা রসোগ্লোল্লা, রোশোগলা, রাজগোলার রাসগোলার এবং রাশবরী বা রাশবাড়ি (নেপালি)।

আরও পড়ুনঃ
১ thought on “পিরোজপুর জেলার বিখ্যাত খাবার”